ঢাকা, ৩০ মে, ২০২০ || ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Breaking:
ছুটি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেই : সেতুমন্ত্রী      ৩১ মে থেকে শর্তসাপেক্ষে অফিস খোলার সিদ্ধান্ত     
Mukto Alo24 :: মুক্ত আলোর পথে সত্যের সন্ধানে
সর্বশেষ:
  লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশীকে গুলি করে হত্যা        করোনায় দেশে একদিনে শনাক্তের নতুন রেকর্ড ২৫২৩ জন, মৃত্যু ২৩        আম্ফানের ক্ষয়ক্ষতিতে সমবেদনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে প্রিন্স চার্লসের চিঠি     
৭৭৫

একজন অধ্যাপক সাহেবের রাজনৈতিক ও নৈতিক স্খলন

মোঃসরোয়ার জাহান

প্রকাশিত: ৩ ডিসেম্বর ২০১৮  

অধ্যাপক আবু সাঈয়িদ

অধ্যাপক আবু সাঈয়িদ

একজন অধ্যাপক আবু সাঈয়িদ যিনি সারা জীবন বঙ্গবন্ধুর কথা বলেছেন।বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একের পর এক অনেক বই তিনি লিখেছেন।স্কুল জীবন থেকে তার লেখা বই আমি নিজেও পড়েছি এবং উজ্জীবিত হয়েছি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসতে শিখেছি। আমার মতো এই বাংলাদেশে অনেক মানুষই তার লেখা বই পড়ে উজ্জীবিত হয়েছেন এবং বঙ্গবন্ধু`কে ভালোবাসতে লিখেছেন।

সেই অধ্যাপক সাহেব যিনি শেখ হাসিনার প্রথম সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এক জীবনে মানুষের কতটাই বা চাহিদা থাকে? কতটাই বা প্রাপ্তি হলে তার পাওয়া শেষ হয়? অনেক তো পেয়েছিলেন জীবনে তিনি। বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে গাড়ি হাঁকিয়েছেন বাংলার পথে ঘাটে।

একজন আবু সাঈদ এর মত মানুষকে দেখলে আমরা এই প্রজন্মের সন্তানরা কি শিখবো তার মত পল্টিবাজ নেতার কাছ থেকে?

অধ্যাপক সাহেব তিনি কি একবারও ভাবলেন না।তার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল বাংলাদেশের মানুষের, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ,আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী মানুষ গুলোর আবেগ এবং ভালোবাসা গুলো ।

আমাদের বেড়া সাঁথিয়র অনেক মানুষের রাজনৈতিক আবেগ এবং আকাঙ্ক্ষাগুলো জড়িয়ে ছিল তার রাজনৈতিক আদর্শের উপর।

কিন্তু সেই অধ্যাপক সাহেব তিনি কি করলেন? আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে দৌড় দিলেন আওয়ামী লীগের আদর্শ থেকে ছিটকে পড়া গণফোরামের ঘরে।

সেই অধ্যাপক সাহেব বিপরীতমুখী আদর্শের ধারক বঙ্গবন্ধুর খুনি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন `বি এন পি`র ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে, নৌকার বিরুদ্ধে মানবতার জননী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা`র বিরুদ্ধে নির্বাচন করতে, বেহায়ার মত নির্লজ্জের মতো নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন।

তিনি নিজের জীবনের সমস্ত অর্জন ভূলুণ্ঠিত করে, শেষ বয়সে ক্ষমতার লিপ্সায় তার নৈতিক স্খলনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য এলাকায় অবস্থান করছেন।

ইবলিশ শয়তান এর কিছু নীতি থাকে, আদর্শ থাকে, আমার মনে হয় অধ্যাপক সাহেবের সেই আদর্শ কিংবা নীতি ও নেই।

সারা জীবন যাদের বিরোধিতা করে গেছেন। যাদের বিরুদ্ধে তার কলম ছিল সোচ্চার। সেই জামাত যে যুদ্ধ অপরাধী ছিল সেই নিজামীর অনুসারীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করতে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন।

মানুষ কত নিচে নামতে পারে তার বিবেক তার সততা তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা কতটা স্খলিত হলে মানুষ তার আদর্শ থেকে ছিটকে পড়ে তার প্রমান আমাদের অধ্যাপক সাহেব।

যদিও ইতিমধ্যেই বেড়া সাঁথিয়া`র জনগণ তার এই রাজনৈতিক নৈতিক স্খলন কে মেনে নিতে পারেননি।মেনে নিতে পারেননি ব্যক্তিগত ভাবে এবং পারিবারিক ভাবে ।

এই অধ্যাপক সাহেবকে সবাই বয়কট করেছেন এবং করবেন। আগামী নির্বাচনে ঘৃণাভরে এই অধ্যাপক সাহেবের বিরুদ্ধে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি বঙ্গবন্ধুর নৌকায় বেড়া সাঁথিয়া`র জনগণ ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. শামসুল হক টুকু কে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করে অধ্যাপক সাহেবের নৈতিক রাজনৈতিক স্খলনের প্রতিবাদ জানাবেন ইনশাআল্লাহ।

মনোনয়নের লোভে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী ভাবধারার রাজনৈতিক দলে যোগদান করে সেই দলের ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যে অধ্যাপক সাহেব আমাদের এই অঞ্চলের অবস্থান করছেন ।

আসুন সেই নীতিহীন ক্ষমতালিপ্সু দলছুট নেতাদের বর্জন করতে শিখি এবং আগামী নির্বাচনে জননেত্রী মানবতার জননী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও বাংলাদেশকে বিশ্বে উন্নয়নের এক বিস্ময় উপহার দেওয়ার যে রুপ কল্প ,সেই রূপকল্পে আপনার মূল্যবান ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আগামীতে সরকার গঠনের সুযোগ সৃষ্টি করি এবং জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে আমরা আবার বরণ করি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

মোঃ সরোয়ার জাহান
কবি, লেখক,গবেষক,সম্পাদক।

 

আরও পড়ুন
পাঠক কলাম বিভাগের সর্বাধিক পঠিত