ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন দেলসি
মুক্তআলো২৪.কম
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন দেলসি রদ্রিগেজ
মার্কিন সামরিক অভিযানে ক্ষমতাচ্যুত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে। নিউইয়র্কের একটি আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তিনি যখন আইনি লড়াই লড়ছেন, ঠিক তখনই তাঁর একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী দেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে এক সংসদীয় অধিবেশনে ৫৬ বছর বয়সী দেলসি শপথ গ্রহণ করেন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
দেলসির শপথ গ্রহণের মাত্র দুই ঘণ্টা আগে নিউইয়র্কের আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে নিকোলা মাদুরো বলেন, ‘আমি একজন সজ্জন ব্যক্তি। আমি এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট।’ এ সময় নিজেকে ‘অপহৃত’ ও ‘যুদ্ধবন্দী’ হিসেবেও দাবি করেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে শপথ নেওয়ার পর দেলসি রদ্রিগেজ মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটকের ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘অবৈধ সামরিক আগ্রাসনের বেদনা নিয়ে আমি শপথ নিচ্ছি।’ এ সময় তিনি দেশের শান্তি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন। সংসদীয় অধিবেশনে মাদুরোর ছেলেও উপস্থিত ছিলেন। তিনি তাঁর মা–বাবার ফিরে আসার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় মাদুরো ও দেলসির সমর্থনে কয়েক হাজার মানুষ ভেনেজুয়েলার পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
অন্যদিকে মাদুরোকে আটকের ঘটনায় জাতিসংঘে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রদূত স্যামুয়েল মনকাদা এ ঘটনাকে ‘অবৈধ সশস্ত্র হামলা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ এই অভিযানকে সমর্থন করে বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানিভান্ডার একজন ‘পলাতক অপরাধীর’ হাতে ছেড়ে দেওয়া যায় না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, একটি সুষ্ঠু পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই ভেনেজুয়েলা ‘পরিচালনা’ করবে। একই সঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তিনি যদি যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ না করেন, তবে তাঁকে মাদুরোর চেয়েও ‘বড় মূল্য’ দিতে হতে পারে।
উন্নয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
গত শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে ‘বড় পরিসরে’ হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। এর সাত ঘণ্টা পরে আটক মাদুরোর ছবি প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিতে তাঁর চোখ বাঁধা, হাতে হাতকড়া আর পরনে ধূসর রঙের নরম কাপড়ের তৈরি ট্রাউজার দেখা যায়।
যদিও দেলসি কিছুটা নমনীয় সুরে কথা বলেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে আটকের পর মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে একটি কুখ্যাত আটককেন্দ্রে রাখা হয়। গতকাল সোমবার তিনি ও তাঁর স্ত্রীকে নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের শুনানিতে মাদুরো নিজেকে নির্দোষ এবং এখনো নিজেদের দেশের প্রেসিডেন্ট বলে দাবি করেন। আগামী ১৭ মার্চ পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
মুক্তআলো২৪.কম
- নেপথ্যে থেকে যাওয়া কিছু রহস্য মনিকার মুখ খোলার গল্প!
- ফিরোজা বেগমের মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন পশ্চিমের আকাশ
- ১৮ লাখ রুপি সঞ্চয় ভিক্ষা করে!
- মোশাররফকে জবাব দেবেন মোদি নিউ ইয়র্কে শরীফকে বয়কট করে
- বেনাপোল সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে
- সাবেক নেতা ঝু ইয়ংক্যাং আটকচীনা কমিউনিস্ট পার্টির
- গিনেজ বুকে এসএমএস লিখে!
- ইসরায়েলের ২৫০ কোটি ডলার খরচ গাজায় ৫০ দিনের যুদ্ধে
- ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশেষে অচলাবস্থা নিয়ে পিছু হটলেন
- মোদি সরকার কেমন হবে
- এস.এন.সি.এফ. এর ধর্মঘট স্থগিত
- বিশ্বের প্রথম সুস্থ পান্ডা ট্রিপলেটের জন্ম হলো চীনে
- গণহত্যা চলছেই নিহত ৬৮৭
তীব্র প্রতিরোধের মুখে ইসরায়েল গাজায় হামাসের - আইএসকে ৩ বছরে নির্মূল করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র
- ৭৮ লাখ টাকায় মালালার ছবি বিক্রি

























































