খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?
মুক্তআলো২৪.কম
খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?
ইরাকের সাম্প্রতিক অস্থিরতা এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শাসনব্যবস্থা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা দিল্লির নীতিনির্ধারকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। ভারতের কাছে ইরান আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ায় প্রবেশের প্রধান কৌশলগত প্রবেশদ্বার। দশকের পর দশক ধরে পাকিস্তান ভারতের জন্য স্থলপথ অবরুদ্ধ করে রাখায় তেহরানই হয়ে উঠেছে নয়াদিল্লির একমাত্র বিকল্প পথ। ভারতের এই উদ্বেগের মূলে রয়েছে চাবাহার বন্দর এবং শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক কখনোই কোনো আদর্শগত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ছিল না বরং এটি বরাবরই ছিল কৌশলগত ও বাণিজ্যিক আলাপ। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং মধ্য এশিয়ায় আধিপত্য বজায় রাখতে ইরান ভারতের জন্য স্থল সেতুর কাজ করে। বিশেষ করে চাবাহার বন্দর প্রকল্পের মাধ্যমে ভারত সরাসরি আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সংযোগ স্থাপন করতে চেয়েছিল। কিন্তু ইরানের বর্তমান টালমাটাল পরিস্থিতি এই উচ্চাভিলাষী প্রজেক্টকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। যদি দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা চলে অথবা এমন কোনো শাসনব্যবস্থা ক্ষমতায় আসে যা ভারতের প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন নয়, তবে নয়াদিল্লি তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে গড়া এই মহাদেশীয় বাণিজ্য পথটি চিরতরে হারিয়ে ফেলতে পারে।
শুধু কৌশলগত পথই নয় আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রেও ইরানের ভূমিকা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিয়া প্রধান ইরান পরোক্ষভাবে এই অঞ্চলে পাকিস্তানের প্রভাবকে সীমিত রাখতে ভারতকে সাহায্য করে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের অস্থিতিশীলতা কেবল দেশটির ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং তা পুরো দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ইতোমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন ইরানের ওপর নতুন করে বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেওয়ায় ভারতীয় রফতানিকারকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রায় ২ হাজার কোটি রুপির ভারতীয় পণ্য এখন বন্দরে আটকে রয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
নয়াদিল্লির জন্য সবচেয়ে বড় ভয়ের কারণ হলো, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতনের পর সেখানে যদি কোনো উগ্রবাদী বা অস্থিতিশীল সরকার আসে, তবে তা ভারতের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তাছাড়া, অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিয়ে ইরান যদি চীনের বলয়ে আরও বেশি ঢুকে পড়ে, তবে এই অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত অবস্থান আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। সুতরাং, খামেনির গদি রক্ষা পাওয়া বা না পাওয়ার চেয়েও বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা। ইরানের এই ডামাডোল পরিস্থিতি ভারতের কয়েক দশকের কূটনৈতিক শ্রম এবং বিশাল অংকের বিনিয়োগকে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ করে দেয় কি না, এখন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন
- পাবনা ১
জনপ্রিয়তার শীর্ষে এ্যাড.শামসুল হক টুকু এমপি - আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা বুধবার
- বিচার চাইলেন মেয়ে খালেদ মোশাররফ হত্যার
- বাংলার কৃষক-শ্রমিক-মেহনতী জনতার সাথে নৌকা কখনো বেঈমানী করে নাই:
- শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি-জামায়াত : হাছান মাহমুদ
- দেশের উন্নতিতে ঈর্ষান্বিত খালেদা জিয়া : রেলমন্ত্রী
- জোটে পাল্টাপাল্টি বহিষ্কার বিএনপি-জামায়াত টানাপড়েন
- পাল্টা কমিটি ঘোষণা শ্রমিক দলের বিদ্রোহীদের
- প্রচার হয়নি সরকারের উন্নয়নের খবর: গওহর রিজভী
- ফের জামায়াতের হরতাল রোববার সকাল থেকে !
- বিএনপি বিলীন হয়ে যাবে আগামী নির্বাচনের আগেই: এরশাদ
- সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে বিচার বিভাগ
- শ্রমিক ছাঁটাই থেকে বিরত থাকুন: ওবায়দুল কাদের
- কোন অন্যায় করেননি বঙ্গবন্ধু জয় পাকিস্তান বললেও :মান্না
- কোনো ভূমিকা নেই মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের
















































