ঢাকা, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ || ৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬
Breaking:
Mukto Alo24 :: মুক্ত আলোর পথে সত্যের সন্ধানে
সর্বশেষ:
৬৪৩

৪ খুনের মামলার আসামি বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীরা পাবনায়

অনলাইন

প্রকাশিত: ২ জুন ২০১৪   আপডেট: ১৯ জুন ২০১৪

সন্ত্রাসীর গুলিতে চারজন নিহতের ঘটনায় পাবনার আতাইকুলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীসহ অর্ধশতাধিক লোককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন নিহতের ভাই জহুরুল ইসলাম। হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর আজ সোমবার ভোররাতে আতাইকুলা থানায় তিনি এ মামলা দায়ের করেন।আতাইকুলা থানার ওসি আকরাম হোসেন জানান,  নিহত সুলতান মাহমুদের ভাই জহুরুল ইসলামের দায়ের করা মামলায় ৩৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরো ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। ওসি আরো জানান, আসামিদের মধ্যে আতাইকুলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম মনা এবং পাশের একদন্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা লোকমান হোসাইনের নাম রয়েছে। অন্যান্যদের মধ্যে বাবলু, রকিব, নুরুজ্জামান, মমিন, কিয়াম উদ্দিন, আনোয়ার, নাজমুল, সাইফুল, ইউনুস, রাজ্জাক, মজিদ ও মাসুদের নামও রয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত আতাইকুলা, পাবনা সদর, সুজানগর, আটঘরিয়া থানায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ চরমপন্থিসহ ১২ জনকে আটক করেছে বলেও জানান তিনি।এ ঘটনায় পুলিশ এই পর্যন্ত ১২ জনকে আটক করলেও এজাহারে উল্লিখিত আসামিদের কেউ এখনো গ্রেপ্তার হননি বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের নামে নিরীহ গ্রামবাসীকে পুলিশ হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানায়, আজ সোমবার ভোরে মধুপুর গ্রামে এক বাড়ি থেকে কয়েকজনকে আটক করে আনা হলেও পুলিশ তা স্বীকার করছেন না। গত দুই দিনে ওই এলাকার লোকজনকে আটক করে আবার উৎকোচের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।এদিকে নিহতদের দলীয় কর্মীরা দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই আওয়ামী লীগ নেতারা এ ঘটনার জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করেন। তবে বিএনপি নেতারা জানান, ক্ষমতাসীন দলের অন্তঃকোন্দলেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। গত শনিবার রাতে আতাইকুলায় ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে পুষ্পপাড়া বাজারে মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে ধর্মগ্রামের সুলতান মাহমুদ ও ফজলুর রহমান ফজলু এবং পাশের পীরগাছা গ্রামের আব্দুস সালামকে। ঘটনার পরদিন ভোরে আরেক গুলিবিদ্ধ রফিকুল ইসলাম মারা যান

আরও পড়ুন
পাবনার খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত