ঢাকা, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ || ১৮ মাঘ ১৪৩২
Breaking:
আমি এটুকু বলতে পারি, তারা একটি চুক্তি করতে চায়: ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প      নয় মাসের জন্য বন্ধ হচ্ছে সেন্টমার্টিনে পর্যটক ভ্রমণ পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের সিদ্ধান্ত     
Mukto Alo24 :: মুক্ত আলোর পথে সত্যের সন্ধানে
সর্বশেষ:
  স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় : মির্জা ফখরুল        তুমি তো চাঁদপুর থেকে সেদিন আসছো ঢাকায়:পাটওয়ারীর উদ্দেশ্যে মির্জা আব্বাস     
৪১

স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় : মির্জা ফখরুল

মুক্তআলো২৪.কম

প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬  

স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় : মির্জা ফখরুল

স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় : মির্জা ফখরুল


স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। 

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পশ্চিম আকচা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে এ কথা বলেন তিনি। 

জামায়াতকে উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আরেকটা দল ভোটের জন্য এসেছে। তাদের মার্কা হলো দাঁড়িপাল্লা।তিনি বলেন, ‘বিকাশ নম্বর কাউকে দেবেন না এসব ভাঁওতাবাজি আর ধান্দাবাজি। ভোট দিলে নাকি জান্নাতে যাওয়া যাবে। এসব কথা সঠিক নয়। আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন।
গত ১৫-১৬ বছর দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ব্যাংকগুলো শূন্য হয়ে গেছে। সব টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। সেগুলো ঠিক করতে হবে। ঝগড়াঝাঁটি না করে সঠিক মানুষটিকে নির্বাচিত করতে হবে।
মহাসচিব বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের উন্নতির জন্য। শান্তিতে থাকার জন্য। বিগত সময়ে আমরা শান্তিতে থাকতে পারিনি। ১৫ বছর পর খারাপ সময় পার করেছি। এখন সুসময় এসেছে। দেশে একটা ভালো নির্বাচন হবে। সবাই ভোট দিতে পারবে। এরকম একটা আশা জেগেছে।’ 
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ সময় আপনার সঙ্গে থেকেছি। আমার বাবা এলাকায় ভালো কাজ করেছেন। ওনার ছেলে হিসেবে আমিও আপনাদের কাছে এসেছি। আমি মন্ত্রীও ছিলাম, কেউ বলতে পারবে না এক কাপ চা খেয়েছি। নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে আমি প্রার্থী। ভোট চাওয়ার জন্য এসেছি। মার্কা হলো ধানের শীষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেবেন।’ 

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মাফ করে দেওয়া হবে। এনজিও-এর যত টাকা ঋণ আছে তার দায় সরকার নেবে। মায়েদের মওকুফ করে দেয়া হবে। এছাড়া মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। শিক্ষিত বেকারের জন্য ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। শান্তি, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। সব ধর্মের মানুষেরা শান্তিতে থাকবেন।’








মুক্তআলো২৪.কম

 
আরও পড়ুন
রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত