ঢাকা, ২৩ এপ্রিল, ২০২১ || ১০ বৈশাখ ১৪২৮
Breaking:
পাবনা শহরের জুবিলী ট্যাংক পাড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা, জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাড.আসিফ শামস রন্জন ভাইয়ের শ্বশুর এবং যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুসলিমা শামস বনী ভাবীর বাবা আবুল হোসেন খান মোহন সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) আগামীকাল বাদ জুমা চাপা মসজিদে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে নিবেদন মোহন সাহেব কে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। আমিন।। উল্লেখ্য,মোহন সাহেব সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ্যাড.শামসুল হক টুকু এমপি’র বিয়াই।      ভন্ডদের পক্ষে বিবৃতিদাতারাও ভন্ডদের পর্যায়েই পড়ে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী     
Mukto Alo24 :: মুক্ত আলোর পথে সত্যের সন্ধানে
সর্বশেষ:
  মেট্রোরেল নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৬১.৪৯ শতাংশ : ওবায়দুল কাদের        কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে উন্নত দেশগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান     
১৭৭

সৈয়দ আবুল মকসুদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

মুক্তআলো২৪.কম

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১  


বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আশরাফ সিদ্দিকী বিটু ইত্তেফাক অনলাইনকে এ তথ্য জানান।

শোক বার্তায় বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এর আগে সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সৈয়দ আবুল মকসুদ। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন আবুল মকসুদ।
আবুল মকসুদের ছেলে নাসিফ মকসুক বলেন, ‘বাবা বাসায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। পরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।’

সৈয়দ আবুল মকসুদ ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ আবুল মাহমুদ ও মা সালেহা বেগম।

সৈয়দ আবুল মকসুদের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ষাটের দশকে কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ দিয়ে। তিনি নিয়মিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কলাম লিখতেন। তাঁর রচিত বইয়ের সংখ্যা চল্লিশের ওপর। বাংলা সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।







মুক্তআলো২৪.কম

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত