ঢাকা, ৩১ মে, ২০২০ || ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Breaking:
কোভিড-১৯ প্যানডেমিকে হার না মানার গল্প:অধ্যাপক ডা.মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল)       গণপরিবহন পরিচালনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে : ওবায়দুল কাদের      করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাংক ঋণের ২ হাজার কোটি টাকা সুদ মওকুফের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর     
Mukto Alo24 :: মুক্ত আলোর পথে সত্যের সন্ধানে
সর্বশেষ:
  করোনায় একদিনে রেকর্ড ৪০ জনের মৃত্যু,শনাক্ত হয়েছে ২৫৪৫ জন        এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী        এবার২০ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ১৭ লাখ পাস        গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ব্যবস্থা: সেতুমন্ত্রী     
৬৪১

যে ৫টি `সফট স্কিল` প্রদর্শন করাটা জরুরি ইন্টারভিউয়ের সময়

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ জুলাই ২০১৪   আপডেট: ২৩ জুলাই ২০১৪

ইন্টারভিউয়ে কিন্তু ভালো ফলাফল করা চাই মনের মতো চাকরির জন্য যথেষ্ট যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও । আর এ জন্য প্রয়োজন `ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্ট` যা `সফট স্কিল` নামেও পরিচিত। এগুলো এমন গুণ যার প্রতি আকর্ষিত হবেন প্রশ্নকর্তারা। তাই সব যোগ্যতা থাকার পরও ইন্টারভিউয়ে বসে এই হালকা কৌশলগুলো প্রয়োগ করা জরুরি। যোগাযোগ স্থাপনে দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা, জটিল চিন্তা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক কিছু বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত। সার্টিফাইড বিজনেস লরিয়েট (সিবিএল)-এর কিছু পরীক্ষা এবং পদ্ধতির কথা জানায় হায়ার নেক্স। তারা এখানে তুলে ধরেছে ইন্টারভিউয়ের জন্য কার্যকর পাঁচটি সফট স্কিলের কথা।


১. কর্মনীতি : প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য অর্জন করা কতটা জরুরি তার চিন্তা আপনার মস্তিষ্কে ছড়িয়ে দিন। ব্যাখ্যা দিন এ লক্ষ্য পূরণে আপনি কতদূর যেতে প্রস্তুত। চটপট দুই একটা উদাহরণ দিন আপনি অতীতে গুরুত্বপূর্ণ কাজে সফল হতে কী ধরনের আদর্শ মেনে চলেন।
২. ইতিবাচক আচরণ : সহকর্মীদের বিষয়ে আপনি নৈতিকভাবে কতটা ইতিবাচক তার ইঙ্গিত দিন। তা ছাড়া কর্মচঞ্চলতা প্রকাশ পাবে আপনার কিছু আচরণে। যেমন- হ্যান্ডশেক করার সময় আত্মবিশ্বাসী হাসি দিন। জবাব দেওয়ার সময় প্রয়োজনের চেয়ে একটু বেশি ইতিবাচক কথা বলুন বা আচরণ প্রকাশ করুন।
৩. দক্ষ যোগাযোগ : এ বিষয়ে দক্ষতা দেখানোর দারুণ ক্ষেত্র ইন্টারভিউ। তাই প্রশ্নকর্তাদের সঙ্গে সর্বোচ্চ দক্ষতা প্রদর্শন করতে বাসায় চর্চা করুন। যেকোনো কথা বা আচরণের ক্ষেত্রে আপনার প্রাসঙ্গিক প্রতিক্রিয়াই মূলত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলবে।
৪. সময়ানুবর্তিতা : সব প্রতিষ্ঠানই এ বিষয়ে নিখুঁত প্রার্থী চান। বিশেষ করে যারা নতুন চাকরির বাজারে প্রবেশ করছেন তারা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কীভাবে কাজ করবেন তা জানাটা কর্তৃপক্ষের জন্য জরুরি। এই কাজের বিষয়ে সময় আপনার কাছে কেমন গুরুত্ব রাখে তা ব্যাখ্যা করতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে আসুন।
৫. আত্মবিশ্বাস : পোশাক নির্বাচন থেকে শুরু করে প্রশ্নকর্তাদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করার মধ্য দিয়ে আপনি আত্মবিশ্বাসের জানান দিতে পারেন। নিজের অভিজ্ঞতা বলার সময়ও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ পায়। যদি সত্যিকার অর্থে আত্মবিশ্বাসী না হন, তবে বাড়িতে আত্মবিশ্বাসী দেখায় এমন অভিনয় চর্চা করে নিন। আত্মবিশ্বাসী না দেখালে আপনার ওপর ভরসা পাবেন না প্রশ্নকর্তারা।
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

আরও পড়ুন
লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বাধিক পঠিত