ঢাকা, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ || ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬
Breaking:
Mukto Alo24 :: মুক্ত আলোর পথে সত্যের সন্ধানে
সর্বশেষ:
৫৯০

বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসায় `সম্মোহন পাঁচটি স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০১৪   আপডেট: ১৩ জুলাই ২০১৪

যাদুমন্ত্রের সঙ্গে জড়িত `সম্মোহন` শব্দটি শুনলেই মনে হয় তা । অথচ এই বিদ্যা যে বৈজ্ঞানীকভাবে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো তার প্রমাণ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সম্মোহন মূলত একটি ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি যার মাধ্যমে অন্যান্য থেরাপি এবং চিকিৎসা পদ্ধতির সংযোগ ঘটানো হয়। তাই অনেক সময়ই মেডিক্যাল সম্মোহনকে বলা হয় হাইপোথেরাপি। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন ১৯৫৮ সালে প্রথম হিপনোসিস বা সম্মোহনকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত করে। এর মাধ্যমে পাঁচটি শারীরিক উন্নতির কথা জানুন।
১. গভীর ঘুম : সম্মোহনের মাধ্যমে গভীর ঘুম আনা যায়। সম্প্রতি এক দল সুইস বিজ্ঞানী সুস্থ-সবল তরুণ-তরুণীদের ওপর সম্মোহন বিদ্যা প্রয়োগ করে দেখেছেন, তারা আদর্শ মানের গভীর ঘুম ঘমিয়েছেন। তাই যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে তারা সম্মোহনের মাধ্যমে ঘুমের সমস্যা দূর করতে পারেন।
২. বাওয়েল সিনড্রোম সমস্যা কমায় : ২০০৩ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে আক্রান্ত ২০৪ জন রোগী ৭১ শতাংশ ১২ সপ্তাহের হিপনোসিসের মাধ্যমে যথেষ্ট উন্নতি করেছেন। ছয় বছর পর তাদের ৮১ শতাংশ প্রায় ভালো হয়ে গিয়েছিলেন। তাই এটি আইবিএস এর চিকিৎসায় সম্মোহন বেশ কার্যকর।
৩. ব্যথা কমাতে : একাজেও সম্মোহন যথেষ্ট কাজের। ২০০০ সাল ও ২০০৯ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ফাইব্রোমায়ালজিয়া, আরথ্রাইটিস এবং ক্যান্সারের ব্যথা কমাতে হিপনোসিস ব্যাপক কাজ করেছে।
৪. নার্ভ শান্ত করতে : সম্মোহনের মাধ্যমে উত্তেজিত নার্ভ শান্ত করা যায়। তাই সার্জারি এবং সন্তান জন্মদানের সময় রোগীর মানসিক অবস্থা চরম উত্তেজিত অবস্থায় থাকে যা সম্মোহনের মাধ্যমে প্রশান্ত করে দেওয়া যায়। ২০১২ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে বলা হয়, হিপনোসিসের মাধ্যমে রোগী যে ব্যথার আশঙ্কা করেন তা কমিয়ে আনতে পারেন সম্মোহনের মাধ্যমে।
৫. ত্বকের যন্ত্রণা দূর করা : বহু নারীকে পাওয়া যায় যারা পোস্টমেনোপজাল অবস্থায় ত্বকে জ্বালা-যন্ত্রণা অনুভব করেন। বারো সপ্তহের সম্মোহন চিকিৎসার পর তাদের এই সমস্যা যথেষ্ট কমে যায়। সূত্র : হাফিংটন পোস্ট

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বাধিক পঠিত