ঢাকা, ২১ জানুয়ারি, ২০২২ || ৮ মাঘ ১৪২৮
Breaking:
Mukto Alo24 :: মুক্ত আলোর পথে সত্যের সন্ধানে
সর্বশেষ:
  বিএনপির বিদেশে লবিস্ট নিয়োগের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ আছে : তথ্যমন্ত্রী        করোনার বিস্তার রোধকল্পে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ৫ নির্দেশনা        করোনার ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতি ঠেকাতে বিশেষ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী        আজ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ     
১১৯

কাউনিয়ায় তিস্তা নদীতে শুরু হয়েছে মাছ ধরা উৎসব

মুক্তআলো২৪.কম

প্রকাশিত: ২৭ ডিসেম্বর ২০২১  


সারওয়ার আলম মুকুল, কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ কাউনিয়ায় তিস্তা নদীতে শীত মৌসুমে পানি কমে যাওয়ায় রেল সেতু ও সড়ক সেতুর নিচে বড়শি দিয়ে সৌখিন মৎস্য শিকারীদের মাছ ধরা উৎসব শুরু হয়েছে। বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে সৌখিন মৎস্য শিকারীরা এসে এখানে বড়শি নিয়ে মাছ শিকার করেন। 


সরেজমিনে তিস্তা নদী এলাকায় গিয়ে দেখাগেছে কাউনিয়া তিস্তা নদীর রেল সেতু ও সড়ক সেতু জুড়ে নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য। প্রত্যেক বছর নভেম্বর- ডিসেম্বর মাসে নদীর পানি কমার কারনে বড়শি ও জাল দিয়ে মাছ ধরতে আসেন ছুটে আসেন সৌখিন মৎস্য শিকারীরা। ঘন্টার পর ঘন্টা বড়শির ফাতার দিকে তাকিয়ে থেকে মাছ ধরা অসম্ভব ধর্য্যরে দরকার। তিস্তা রেল সেতু স্থানে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে আসা শিকারীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, বড়শি পানিতে ফেলে মাছ ধরার মজাই আলাদা।

কারও নেশা এতটাই প্রকট যে, ছিপ ফেলে অপেক্ষা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আর ধৈয্যের খেলায় একটি মাছ যখন উঠে? আনন্দের শেষ নেই। আর যদি সেই মাছটি হয় তিন কেজি বা তার চেয়েও বড়? তাহলে তো কথাই নেই। গ্রাম বাংলায় ছিপ ফেলে মাছ ধরার নেশায় মত্তদের খুঁজে পাওয়া কঠিন না। নদীর পাড়ে ছিপ ফেলে দিনভর বসে থাকেন তাদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় যখন মাছ তাদের টোপ গিলে, বড়শির সুতায় পড়ে টান, টোন বা ফাতনা পানিতে ডোবে আর ভাসে। কিছুটা হাঁটতেই দেখা গেল, একটি বড়শিকে ঘিরে ভিড়। এগিয়ে দেখতে পেলাম একটা বোয়াল মাছ উঠিয়েছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তারা বড়শি ফেলে বসে থাকেন অপেক্ষায়। কখন মাছ টোপ গিলবে। এটাই তাদের মজা, এটাই তাদের আনন্দ। এক্ষেত্রে তাদের শখের যোগান দেয় তিস্তা নদীর পাড়। বড়শি দিয়ে মাছ শিকারী গাজীরহাট গ্রামের আব্দুল মান্নান বলেন, নদীতে পানি কমে যাওয়ায় মাছ শিকারের সুযোগ এসেছে। তাই সুযোগ পেলেই চলে আসি মাছ শিকারে, তবে মাছ ধরতে এসে লাভ লোকসানের এমন হিসাব কষলে চলে না? এগুলো কেউ চিন্তাও করে না। দিনে পায় ১৫০ টাকার টোপ (মাছের খাবার) কিনে সকালে এসেছি বিকাল সারে চারটা এখনো খাইনি মাছও পাইনি রাত আটটা পর্যন্ত থাকবো। পীরগাছা নব্দিগঞ্জ থেকে আসা ফজর আলী বলেন পানি কমার কথা শুনে আজই ১ম আসলাম মাছ শিকার করতে। এখনো পাইনি মাছ যা পাই বাড়ীতে নিয়ে যাই শখে মাছ শিকার করি। টেপামধুপুর থেকে আসা কেরামত আলী বলেন ছিপ দিয়ে পুটি, বাইম, বোয়াল সহ দেশী মাছ মারি। সৌখিন মাছ শিকারী আঃ সালাম জানান,এখন পানি কমলে কিছু লোক নদীর জায়গা দখল করে বেড়া দেয়, পরে জাল দিয়ে মাছ মারার কারনে মাছ খুব একটা পাওয়া যায় না। নদীতে এই বেড়া দেয়া বন্ধ হওয়া দরকার, এর কারনে মা মাছ গুলো বেশী আটকা পড়ে তাদের জালে। সব মিলে তিস্তা সেতু এলাকায় সৌখিন মৎস্য শিকারীদের উৎসব শুরু হয়েছে।





মুক্তআলো২৪.কম

আরও পড়ুন
জেলা খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত